ভুয়ো আত্মীয় দেখলেই কড়া শাস্তি জানালো কমিশন !

ডেস্ক: যেসব ভোটাররা ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় থাকা ভোটারদের সঙ্গে নিজের আত্মীয়স্বজন না হওয়া সত্ত্বেও লিঙ্ক করেছেন তাঁরা যদি কমিশনের কাছে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন তাহলে ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৩১ নম্বর ধারায় দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং এক বছরের হাজতবাস হবে এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে।
ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবার নজিরবিহীন কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তথ্যের মিল বা ‘লিঙ্ক’ করানোর প্রক্রিয়ায় কোনওরকম কারচুপি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরাসরি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে। কমিশন সূত্রে খবর, দোষী সাব্যস্ত হলে হতে পারে এক বছর পর্যন্ত জেল।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর নির্বাচন কমিশন যখন ভোটার তালিকার তথ্য যাচাই শুরু করে, তখনই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। কমিশন সম্প্রতি একটি ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি’র তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বহু ভোটার নিজেদের নাম ২০০২ সালের তালিকার এমন কিছু ব্যক্তির সঙ্গে যুক্ত করেছেন, যাঁদের সঙ্গে তাঁদের কোনও পারিবারিক বা রক্তের সম্পর্ক নেই।মূলত নাগরিকত্বের প্রমাণ বা ভোটার তালিকায় নিজেদের বৈধতা জোরালো করতেই এই ধরনের ‘লিঙ্ক’ ব্যবহার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান করা হচ্ছে।
কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে বা সংশোধন করার সময় কোনও মিথ্যা তথ্য প্রদান বা নথি জালিয়াতি সহ্য করা হবে না।
যাঁদের নামে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি’র তালিকায় প্রশ্নচিহ্ন উঠেছে, তাঁদের অতি দ্রুত নিজেদের নথিপত্র দিয়ে সত্যতা প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণ করতে না পারলে শাস্তির খাঁড়া নামা এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

