
ডেস্ক: বিশ্ব আয়ুর্বেদ পরিষদ, পশ্চিমবঙ্গ এবং নাগার্জুন আয়ুর্বেদের যৌথ উদ্যোগে কলকাতার টালিগঞ্জের ‘ব্যাস’ -এ চরক জয়ন্তী ধুমধাম করে উদযাপিত হলো। এই অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৮০ জনেরও বেশি আয়ুর্বেদ চিকিৎসক এবং বিএএমএস (আয়ুর্বেদাচার্য) পড়ুয়া অত্যন্ত উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করেন।
সমবেতদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে বিশ্ব আয়ুর্বেদ পরিষদ, পশ্চিমবঙ্গ-এর সম্পাদক ডা. শৈলেন্দ্র কুমার সিং বলেন “আচার্য চরক ছিলেন আয়ুর্বেদ চিকিৎসা ও সামগ্রিক চিকিৎসার ক্ষেত্রে একজন পথিকৃৎ। তাঁর অবদান বৈজ্ঞানিক আয়ুর্বেদের ভিত্তি স্থাপন করেছিল এবং আজও তা বিশ্বজুড়ে আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের পথপ্রদর্শন করে চলেছে। প্রতি বছর শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চম তিথিতে চরক জয়ন্তী উদযাপিত হয়, যা নাগ পঞ্চমীর শুভ তিথির সাথে মিলে যায়।”
অনুষ্ঠানে একটি ‘কন্টিনিউইং মেডিকেল এডুকেশন’ বা সিএমই সেশন পরিচালনা করেন নাগার্জুন আয়ুর্বেদের জেনারেল ম্যানেজার ডা. রাজেশ ডি. চেরান (বিএএমএস, এমবিএ)। তিনি আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় গবেষণা ও গুণমান নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব এবং কেরালা আয়ুর্বেদের বিশেষ চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করেন।
এই অনুষ্ঠানটি শিক্ষা, পেশাগত যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং আয়ুর্বেদ ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবার প্রসারের লক্ষ্যকে আরও শক্তিশালী করার একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে। অংশগ্রহণকারীরা আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় আয়ুর্বেদের প্রাসঙ্গিকতা এবং আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ও গুণমান নিশ্চিতকরণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
আয়োজকরা সকল অংশগ্রহণকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সমাজের কল্যাণে আয়ুর্বেদের নীতি ও আচার্য চরকের শিক্ষাকে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রতি তাঁদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।