
ডেস্ক: নেপালের মুক্তিনাথ ধামের কাছে ৩১ টন ওজনের বিশ্বের বৃহত্তম শালগ্রাম শিলা পাওয়া গিয়েছে। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন এক বার্তা ঘিরে ইতিমধ্যেই শোরগোল।
সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে বিশাল এক কালো পাথরের ছবি, দাবি করা হয়েছে তা নাকি ডাইনোসরের চেয়েও প্রাচীন। কিন্তু তথ্য যাচাই করতেই জানা গেল, আসল ঘটনা তা নয়। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
ভাইরাল হওয়া ছবিটি আদতে কোনও প্রাকৃতিকভাবে গঠিত শিলা নয়। এটি নেপালের মুস্তাং জেলার জোমসমে কালিগণ্ডকী নদীর তীরে তৈরি প্রায় ২২ ফুট উঁচু একটি শালগ্রাম শিলার ভাস্কর্য।
নেপাল একাডেমি অফ ফাইন আর্টসের সঙ্গে যুক্ত ৩৬ জনেরও বেশি শিল্পী প্রায় ১৫ দিনের পরিশ্রমের পর বিশাল একটি পাথর খোদাই করে এই রূপটি দিয়েছেন। নদীর তীরে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ভাস্কর্য তৈরির জন্য আয়োজিত এক কর্মশালাতেই তৈরি হয় শালগ্রামটির এই বিশাল প্রতিরূপ, যা বর্তমানে স্থানীয় এলাকার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ
নেপাল প্রশাসন সূত্রেও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২৬ আগস্টের বন্যার পর মুক্তিনাথের কাছে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হওয়া কোনও ৩১ টনের শালগ্রাম শিলা পাওয়ার তথ্য তাঁদের কাছে নেই। অর্থাৎ, সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া পাথরের ছবিটি শিল্পীদের খোদাই করা এক বিশালাকার প্রতিরূপ, বন্যা থেকে উদ্ধার হওয়া কোনও অলৌকিক শিলা নয়।