শুভেন্দুর PA মৃত্যুতে চাঞ্চল্যকর তথ্য !

ডেস্ক: গত সোমবার ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়েছে। আগামী শনিবার ৯ মে রাজ্যে নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার কথা। তার ঠিক কয়েকদিন আগেই শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মহলের এক ব্যক্তির এই পরিণতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার অর্থাৎ গতকাল রাত ১০টা থেকে ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে চন্দ্রনাথ রথ নিজের গাড়িতে করে দোহারিয়ায় বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। গাড়ির সামনের সিটে বসেছিলেন তিনি নিজে। আচমকাই একটি চারচাকা গাড়ি এসে তাঁর গাড়ির সামনে আড়াআড়িভাবে দাঁড়িয়ে পড়ে পথ আটকায়। চন্দ্রনাথবাবুর গাড়ি থামতেই পিছন থেকে ধেয়ে আসে দুটি মোটরসাইকেল।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হামলাকারীরা সংখ্যায় ছিল একাধিক। একজন চারচাকা গাড়িটি চালাচ্ছিল এবং বাকি দু’জন দুটি বাইকে চেপে এসেছিল। গাড়ি থামানোর সঙ্গে সঙ্গেই আততায়ীরা চন্দ্রনাথবাবুর গাড়ির দু’পাশ থেকে ঘিরে ধরে এবং পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালাতে শুরু করে।
ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমে গাড়ির কাচে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি চালানো হয়। কাচ ফুটো হয়ে যাওয়ার পর চন্দ্রনাথের মৃত্যু নিশ্চিত করতে সেই ছিদ্র দিয়ে আরও বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। চন্দ্রনাথবাবুর মাথা, বুক এবং পেটে একাধিক গুলি লেগেছে।
ঘটনার সময় গাড়িতে চন্দ্রনাথবাবু ও চালক ছাড়াও মিন্টু নামে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ অনুগামী ছিলেন। তিনি গাড়ির পিছনের সিটে বসেছিলেন। বরাতজোরে তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও আততায়ীদের গুলিতে চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ ইতিমধ্যেই মিন্টুর বয়ান রেকর্ড করেছে। তাঁর বয়ান অনুযায়ী, অন্তত দুজন আততায়ী অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে দু’দিক থেকে গুলি চালিয়েছিল।

