ককরোচ জনতা পার্টি তে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলের দুই সাংসদ

ডেস্ক: মাত্র কয়েকদিনেই ইনস্টাগ্রামে দেশের শাসকদল বিজেপি এবং প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসকেও ছাপিয়ে গেল নতুন আগত এই পেজটি। চায়ের ঠেক হোক কিংবা বাসে, ট্রেনে, সর্বত্র এখন চর্চার বিষয় একটাই, ককরোচ জনতা পার্টি । অনেকে মনে করছেন এটি কি তবে কোনও নতুন পলিটিক্যাল পার্টি? কারণ, পূর্বে বহুবার দেশে বিকল্প রাজনৈতিক দলের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সরব হয়েছেন বহুবার। তবে জানা গেছে খাতায়কলমে রাজনৈতিক দল না হলেও এটি মূলত অনলাইন মাধ্যমে সীমাবদ্ধ থাকবে। দেশের সমস্ত সমস্যা নিয়ে কথা বলবে এরা।

রাজনৈতিক দলগুলোর মত এরাও দারুন কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরে ইস্তাহার প্রকাশ করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। যা ইতিমধ্যে ভাইরাল। দেশের বহু মানুষ এই ইস্তাহার দেখে খুশিও হয়েছেন। তবে চলুন পড়ে নিন ইস্তাহারে ঠিক কোন কোন দিক তুলে ধরেছে।

১. দলবদল করা বিধায়ক এবং সাংসদরা যাতে দল পরিবর্তনের পর আর ভোটে দাঁড়াতে না পারেন, তার জন্য ২০ বছরের নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে।
২. আসনসংখ্যা না বাড়িয়েই সংসদে মহিলাদের ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ দরকার।
৩. বিচারপতিরা অবসর করার পর যাতে রাজ্যসভায় জায়গা না পান।
৪. বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে বা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে।
৫. ইচ্ছে মতো টাকা নিয়ে CBSE-তে নম্বর পুনর্মূল্যায়ন করা যাবে না।
৬. NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।

ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বেকার তরুণ-তরুণীদের ‘আরশোলা’ এবং ‘পরজীবী’ বলে কটাক্ষ করায় শোরগোল পড়ে যায় দেশ জুড়ে। শুরু হয় বির্তক। প্রধান বিচারপতির ওই মন্তব্যের পর গত ১৬ মে আত্মপ্রকাশ করে ককরোচ জনতা পার্টি।

এই মুহূর্তে ১৮.৮ মিলিয়ন মানুষ যোগ দিয়েছেন এই পেজে। ইনফ্লুয়েন্সার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, আবার রাজনৈতিক দলের নেতারাও এই পেজ ফলো করেছেন। মূলত কম বয়সি ছেলেমেয়ে, Gen-Zরা ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। তবে সব বয়সের মানুষের তরফেই ভাল সাড়া মিলেছে। তৃণমূলের দুই সাংসদ, মহুয়া মৈত্র এবং কীর্তি আজাদও CJP-তে যোগ দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *