শেষমেশ ঝুঁকলেন ‘পুষ্পা’,ভোট না লড়ার সিদ্ধান্ত জাহাঙ্গীর খানের

ডেস্ক: শেষমেশ ঝুঁকলেন ‘পুষ্পা’। শেষমেশ ঝুঁকলেন ‘পুষ্পা’, পালালেন ফলতা থেকে। বৃহস্পতিবার ফলতায় পুনর্নির্বাচনের আগে ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত তৃণমূল প্রার্থীর। উধাও ‘পুষ্পা’র তর্জন-গর্জন, পুনর্নির্বাচনের আগে লুকোলেন জাহাঙ্গির।

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন পেরিয়ে যাওয়ার পর ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত। প্রার্থী পদ প্রত্যাহার না করায় EVM-এ নাম থাকবে জাহাঙ্গির খানের।

এদিকে জাহাঙ্গির খান বলেছেন, ‘আমি চাই ফলতায় শান্তি থাকুক, সুস্থ থাকুক। অনেক উন্নয়ন হোক। তাই সোনার ফলতা হোক, এটা আমার স্বপ্ন ছিল। মুখ্যমন্ত্রী ফলতার উন্নয়নের জন্য স্পেশাল প্যাকেজ দিচ্ছেন। আগামী ২১ মে পুননির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে তাই নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছি’।

তার আগে প্রচারে শেষদিনের ফের ফলতায় মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে রোড শো শুভেন্দু অধিকারীর। সেই রোড শো-তে বিরাট সংখ্যক মহিলারা ছিলেন সমর্থনে। রোড শো – এ থেকে এবিপি আনন্দকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘ও তো পালাবেই। বুঝে গেছে এখানের রেজাল্ট কী হবে, মা-বোনেদের সমর্থন আছে আমাদের। ও তো কাউন্টিং এজেন্টও দিতে পারত না।’

তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা জানি না ওখানে বিজেপি, নির্বাচন কমিশন কোনও ভয়ের পরিবেশ করে দিয়েছে কি না। বিভিন্ন এজেন্সি দিয়ে এ কাজ করানো হয়ে থাকতে পারে। পুষ্পা তোঁ ঝুকেগা নেহি, তাও কেন ঝুঁকল? ভয়ের পরিবেশ হয়ে থাকে, কেন ভয় পেল? ডায়মন্ড হারবার মডেলের অন্তর্গত এই এলাকা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জিতেছিলেন। নিশ্চয়ই তিনি বিচার বিশ্লেষণ চলছে। উনি দেখে নেবেন।’

এদিকে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ফলতায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ফলতার মহিলারা। ২১ মে, বৃহস্পতিবার, ফলতা বিধানসভার ২৮৫টি বুথেই পুনর্নির্বাচন হবে। তার আগে যেন ভয় সরিয়ে, ভরসায় ফিরেছেন সেখানকার বাসিন্দারা, যাঁদের বছরের পর বছর তৃণমূল ভোট দিতে দেয়নি বলে অভিযোগ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *