অন্নপূর্ণা’র নয়া পোর্টালে কীভাবে স্ট্যাটাস যাচাই করবেন?

ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ৩০০০ টাকা পাননি। এক্ষেত্রে রয়েছে আবেদনের ‘স্থিতি’ (স্ট্যাটাস) পরীক্ষার সুযোগ। প্রয়োজনে নতুন করে আবেদন করারও বিকল্প রয়েছে। অনলাইনে আবেদনের স্ট্যাটাস যাচাই প্রক্রিয়া: অন্নপূর্ণার টাকা না পেয়ে থাকলে, প্রথমে সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালে যেতে হবে। সেখানে আবেদনকারীর রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর দিলেই আসবে ওটিপি। সেই ওটিপি দিয়ে লগ ইন করতে হবে। এবার অ্যাপ্লিকেশন আইডির স্ট্যাটাস চেক করা যাবে।
‘১ অগাস্ট বন্ধ হয়ে যায় এই অন্নপূর্ণা যোজনার পুরনো পোর্টালের ‘সিটিজেন্স লগ ইন’ অংশ। খুলে দেওয়া হয় নতুন পোর্টাল।
নতুন পোর্টালের মাধ্যমেও জানা যাবে স্ট্যাটাস। নতুন এই পোর্টাল থেকেই এবার আবেদনের এবং টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে কতটা অগ্রগতি হল, তা দেখতে পারবেন সুবিধাভোগী মহিলারা। এরই সঙ্গে, এখনও যারা অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করেননি এবং নিজেদের মাসিক ৩০০০ টাকা পাওয়ার জন্য যোগ্য মনে করছেন, তারা ফর্ম ফিলাপ করতে পারবেন।
নয়া পোর্টালে মাধ্যমে স্ট্যাটাস যাচাই: যাঁরা ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন করে ফেলেছেন,তাঁরা https://socialsecurity.wb.gov.in/Office/login -এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার আগে করা আবেদন দেখতে পারবেন।
তবে এই নয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে কোনও নতুন আবেদন করা যাচ্ছে না। শুধুমাত্র অন্নপূর্ণার ফর্ম পাওয়া যাচ্ছে। এই ক্ষেত্রে আবেদনকারী তার জন প্রতিনিধি বা স্থানীয় প্রশাসন, যেমন পঞ্চায়েত, বিডিও অফিস বা মিউনিসিপ্যালিটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
যদি স্ট্যাটাস “অনুমোদিত” দেখায়, তার মানে আবেদনটি অনুমোদিত হয়েছে এবং আপনি শীঘ্রই পেমেন্ট পেতে পারেন। “বিডিও অফিসে বিচারাধীন” মানে যাচাইকরণ এখনও সম্পন্ন হয়নি। এক্ষেত্রে, ১৫ থেকে ৩০ দিন পর স্ট্যাটাসটি আবার যাচাই করতে হবে।
যদি “পেমেন্ট পেন্ডিং” লেখা থাকে, তাহলে আবেদনটি বৈধ, কিন্তু ফান্ড এখনও ছাড়া হয়নি। যদি “ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট অবৈধ” লেখা থাকে, তাহলে আপনার আধার এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যের মধ্যে অমিল থাকতে পারে। এটি সংশোধন করার জন্য, আপনাকে আপনার ব্যাঙ্ক পাসবুকের প্রথন পাতার একটি অনুলিপি বিডিও অফিসে জমা দিতে হবে।
আবেদনটি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বলে মনে হলে এবং আপনার যদি মনে হয় এটি একটি ভুল ছিল, তাহলে আপনি বিডিও-র অফিসে গিয়ে আবেদন করতে পারেন। আপনার আধার কার্ড, আয়ের সার্টিফিকেট, বাসস্থানের সার্টিফিকেট বা নথি এবং ব্যাঙ্ক পাসবুকের মতো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে ভিডিও অফিসে দেখা করুন। সেক্ষেত্রে সরকারি আধিকারিকরা আপনার আবেদনটি আবার খতিয়ে দেখতে পারেন।

